যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারীরা একটি সময়রেখা প্রকাশ করেছেন।
২৭ বছর বয়সী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টিকে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে টাম্পায় সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। এক সপ্তাহ পর লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, তবে বৃষ্টির মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।
লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত তাকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
প্রসিকিউটররা শিক্ষার্থীদের নিখোঁজ হওয়ার আগে ও পরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। ৭ ও ১১ এপ্রিল, আবুগারবিয়েহ অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ, ময়লার ব্যাগ, লাইটার ফুয়েল এবং আগুন জ্বালানোর সরঞ্জাম কিনেছিলেন। ১৩ এপ্রিল, একটি চ্যাটজিপিটি কথোপকথনে তিনি একজন মানুষকে কালো ময়লার ব্যাগে ভরে ডাম্পস্টারে ফেলে দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
১৬ এপ্রিল, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ হয় এবং পরবর্তীতে তাদের নিখোঁজ ঘোষণা করা হয়। ২২ এপ্রিল, আবুগারবিয়েহর মায়ের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, তিনি রাগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যায় ভুগতেন। ২৩ এপ্রিল, একটি ডাম্পস্টারে লিমনের মানিব্যাগ ও রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার হয়।
২৪ এপ্রিল, লিমনের মরদেহ একটি কালো ময়লার ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় এবং ময়নাতদন্তে হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হয়। ২৫ এপ্রিল, আদালতে আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনা হয়। ২৬ এপ্রিল, আরও মানবদেহের অংশ উদ্ধার করা হয়।
২৭ এপ্রিল, কর্তৃপক্ষ চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআইকে ঘিরে একটি তদন্ত শুরু করে। ২৮ এপ্রিল, আদালতে জামিন ছাড়াই আবুগারবিয়েহকে আটক রাখার আবেদন মঞ্জুর করা হয়।
