লিওনেল মেসি গত শুক্রবার লো দেল পোলো শো-তে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সেখানে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবনযাপন, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধু নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখার ইচ্ছা এবং ফেভারিট দল নিয়ে কথা বলেন। সঞ্চালক পোয়ো আলভারেসের প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বেশ কিছু মজার তথ্য দেন।
২০১০ বিশ্বকাপে মেসির রুমমেট ছিলেন হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন। তিনি একবার বলেছিলেন, মেসি ভালো রুমমেট হলেও প্রচণ্ড নাক ডাকেন। এ প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘আমি কি নাক ডাকি? না, আমি সত্যিই জানি না। সম্ভবত আমি যদি ক্লান্ত থাকি। কিন্তু আমি জানি না। আমি কখনো চিৎ হয়ে বা বাঁ পাশে কাত হয়ে ঘুমাই না। সবসময় আমি ডান পাশে কাত হয়ে ঘুমাই।’
ঘুম থেকে ওঠার জন্য তিনি অ্যালার্ম ব্যবহার করেন জানিয়ে মেসি বলেন, ‘আমি সচরাচর আমার অ্যালার্ম সেট করি সকাল ৭টায়।’ এরপর নিজেই গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে পৌঁছে দেন। ‘আমি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে দিয়ে আসি। তারপর ইন্টার মায়ামির ট্রেনিংয়ে যাই। মায়ামিতে আমার বাচ্চাদের স্কুলের সামনে আমি গাড়ি থেকে নামি না, অন্য ছাত্রদের বাবা-মাদের সঙ্গেও কথা বলি না। একটা জায়গায় তাদেরকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েই চলে আসি।’
আমেরিকায় থেকেও ইংরেজি বলায় দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি মেসি। তিনি বলেন, ‘আমি ইংরেজিতে বেশি কথা বলি না। আন্তোনেলা পারে। সে ইংরেজিতে বেশ ভালো।’ সবকিছুতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভ্যাস তার। ‘আমি এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ যে ভিডিও গেমসেও আমি আমার ছেলেদের কাছে হারতে চাই না।’ বয়স বাড়লেও তিনি তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বলেন, ‘শিগগিরই বয়স ৪০ হচ্ছে, আমি এনিয়ে আতঙ্কিত কি না? না, মোটেও না। সত্যি বলছি।’ নিজের দেশ সম্পর্কে তার কৌতূহলের সীমা নেই। ‘আমি আর্জেন্টিনার সবকিছু সম্পর্কে জানতে ভালোবাসি, প্রত্যেকটি শহর, প্রতিটি জায়গা।’
