ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যুক্ত হলো ১০৬টি ‘অগ্নিবেগ’ ড্রোন

ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যুক্ত হলো ১০৬টি ‘অগ্নিবেগ’ ড্রোন

ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কোম্পানি এসএমপিপি’র তৈরি ১০৬টি কামিকাজে (আত্মঘাতী) ড্রোন ভারতের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী এসএমপিপি কোম্পানির কাছ থেকে ড্রোনের চালান গ্রহণ করে।

‘অগ্নিবেগ’ মাঝারি পাল্লার এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন এক কামিকাজে ড্রোন। জেট ইঞ্জিনচালিত এই ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫০ কিলোমিটার গতিতে উড়ে গিয়ে ১৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বর্তমান বিশ্বে ড্রোন হামলা ঠেকাতে বিশেষ ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। এসএমপিপি জানিয়েছে, ‘অগ্নিবেগ’ ড্রোন তৈরিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি সাধারণ ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে এবং প্রতিকূল পরিবেশে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে।

সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের মাঝারি পাল্লার আত্মঘাতী ড্রোনকে ‘পিসকিপার’ বলা হয়। ‘অগ্নিবেগ’-এর নকশা এবং প্রযুক্তিতে এসএমপিপি-কে সহযোগিতা করেছে বেলারুশ। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অগ্নিবেগের অন্তর্ভুক্তি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে স্বল্পপাল্লার আর্টিলারি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবধান পূরণে সহায়তা করবে।

বিস্ফোরক বহনক্ষমতা বেশি হওয়ায় ‘অগ্নিবেগ’ শত্রুর কমান্ড সেন্টার, রেডার স্টেশন, রসদ ও গোলাবারুদ সরবরাহের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। গত বছর অপারেশন সিঁদুরের পরে রাজস্থানের পোখরানে পরীক্ষার ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী এই ড্রোনটি নির্বাচন করেছিল।

এরপর বেলারুশের ড্রোন নির্মাতা সংস্থা কেবি ইন্ডেলা এসএমপিপি-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১০৬টি ড্রোন নির্মাণ করে। প্রযুক্তি হস্তান্তরের কাজও ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুন