ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বুধবার ক্রীড়া উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে বিগত সরকারের পতন ঘটে এবং ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। আসিফ মাহমুদ গত বছর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ক্রীড়াক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য ২৯ আগস্ট সার্চ কমিটি গঠণের কথা জানালেও ওই কমিটি ফেডারেশনগুলোকে অ্যাডহক কমিটি গঠনে বেশি মনোনিবেশ করেছে। যদিও আসিফ মাহমুদ বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সাংবাদিকদের সামনে সিস্টেম পরিবর্তনের কথা বলতেন, তিনি কার্যত কোনো সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারেননি।
নির্বাচনের আগেই সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হলেও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ৩০ অক্টোবর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। এতে করে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। আসিফ মাহমুদ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র ও নির্বাচনী দুর্বলতাগুলো মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে পারেননি।
সার্চ কমিটির সুপারিশে কিছু ফেডারেশনে সদস্যদের নাম নিয়ে বিতর্ক হয়। এর মধ্যে কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। অথচ এসব ব্যাপারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান হয়েছে।
এছাড়াও আসিফ মাহমুদ গত বছরের পদের পর দুইটি পরিচালকের মনোনয়ন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যার ফলে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক কেন্দ্রীয় নির্বাচনে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।
আসিফ মাহমুদ পদত্যাগের পর ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আগামী দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়ার উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে।
