শীতকালীন সবজি ফুলকপি ও ব্রকোলির পুষ্টিগুণ নিয়ে চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতামত প্রকাশিত হয়েছে। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচারের গবেষণা অনুযায়ী, ব্রকোলিতে ফুলকপির চেয়ে বেশি ভিটামিন সি ও ফাইবার রয়েছে।
ব্রকোলিতে ভিটামিন এ, বি৬, নিয়াসিন, থিয়ামিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, আয়রন, ফসফরাস, জিংক ও ক্যালশিয়াম পাওয়া যায়। এক কাপ ব্রকোলিতে ৩-৩.৫ গ্রাম ক্যালশিয়াম থাকে, যা হাড় শক্তিশালী করতে সহায়ক। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে মানসিক উদ্বেগ ও অবসাদ দূর করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
ফুলকপিতে ভিটামিন এ, সি, বি৫, বি৬, ই ও কে ছাড়াও ম্যাঙ্গানিজ, জিংক, ফোলেট ও ক্যালশিয়াম রয়েছে। চিকিৎসক বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, ফুলকপি হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায় ও রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। গবেষণায় ফুলকপিতে ‘কোলাইন’ নামক উপাদান পাওয়া গেছে, যা ঘুম, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও পেশির রক্ত চলাচলে সহায়ক।
পুষ্টিবিদরা জানান, ব্রকোলি ও ফুলকপি উভয়ই উপকারী। ভিটামিন ও ফাইবারের প্রয়োজন হলে ব্রকোলি খাওয়া যেতে পারে, অন্যদিকে লো-কার্ব ও কম ক্যালোরি ডায়েটের জন্য ফুলকপি উপযুক্ত। ফুলকপি ভাজলে উপকার কমে, তাই সেদ্ধ করে রান্না করা ভালো। ব্রকোলি রান্না করলে ভিটামিন সি নষ্ট হতে পারে, তাই সালাদ হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। অনেকের ফুলকপি ও ব্রকোলিতে অ্যালার্জি থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
