নবজাতকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বিকশিত না হওয়ায় জন্মের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বড় শিশুর তুলনায় নবজাতকের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে পারে এবং প্রাথমিক লক্ষণ সহজে বোঝা যায় না। সেপসিস ও নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হতে পারে, যা বাবা-মায়েরা দ্রুত বুঝতে পারেন না।
প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ হিসেবে খাওয়া বা আচরণে পরিবর্তন দেখা যায়। নবজাতক খুব বেশি ঘুমালে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়লে বা স্বাভাবিকের চেয়ে কম খেলে তা অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে উচ্চ জ্বর বা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা না গেলেও খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস ও শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন হতে পারে।
ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না, যা শান্ত করা যায় না, তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ। নবজাতকের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যে শিশু সক্রিয় ছিল, সে হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির বা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি হলে তা গুরুত্বসহকারে নেওয়া উচিত। তবে ৩৬ ডিগ্রির নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে, যা স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ ও নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, এমনকি অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।
