জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের ছাত্র ও যুব নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, তিনি তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে এসেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘হ্যালো আওয়ার লিডার’ শীর্ষক সরাসরি মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াকু সেনাপতি। তেমনিভাবে বাংলাদেশের জন্য যুবসমাজকে দাঁড়াতে হবে এবং বলতে হবে ‘আমিই হাদি’। তিনি ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ইনসাফের লক্ষ্যে ও শোষকের বিরুদ্ধে লড়াইকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন জাতির ঘাড়ে চেপে বসেছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিল তার প্রধান টার্গেট, কিন্তু কেউই রেহাই পাননি। তিনি দাবি করেন, জামায়াত দফায় দফায় এর প্রতিবাদ ও আন্দোলন করেছে, তবে ফ্যাসিজমের অবসান ঘটাতে পারেনি।
তিনি কোটা সংস্কারের দাবিতে জুলাইয়ে দানা বেঁধে ওঠা যুব আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটাকেও গায়ের জোরে দমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। যুবসমাজ ফুঁসে উঠেছিল এবং মা-বাবা তাদের জাতির জন্য উপহার দিয়েছিলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি নিজে নয়, বরং যুবসমাজকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে অনুষ্ঠানে এসেছেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।
