সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ব্যাগভর্তি ৭৪ লাখ টাকা নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের আটকের ঘটনাকে মিডিয়া ফ্রেমিং করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। বুধবার বিকেলে এক বিবৃতিতে দলটি এ অভিযোগ তুলেছে।
জামায়াতে ইসলামী তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়িক কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন এবং ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দিয়েছে। দলটি অভিযোগ করেছে, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম তাকে নির্যাতন করেছেন, যার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এস কে জাহিদুল ইসলাম সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা পলাতক মনিরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন এবং জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। জামায়াত নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, আজ দুপুরে নিয়মিত তল্লাশির সময় বেলাল উদ্দিন প্রধানের কাছে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। টাকার বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয় এবং এ ঘটনায় তার সঙ্গে মান্নান নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর বেলাল উদ্দিন দাবি করেছিলেন, টাকার পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা এবং এটি তার ব্যবসার অর্থ, কিন্তু গণনায় ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বেলাল উদ্দিনকে অর্থের উৎস দেখাতে বলা হয়েছে, অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে, পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
