রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির পরাজয়ে দলীয় কোন্দল ও প্রতারণার অভিযোগ

রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির পরাজয়ে দলীয় কোন্দল ও প্রতারণার অভিযোগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির পরাজয় হয়েছে দলীয় কোন্দল ও প্রতারণার কারণে। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এ আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন। বিপুল জনসমর্থন সত্ত্বেও বিএনপির প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া মাত্র ৫ হাজার ৭৬৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

রাজশাহী-৪ আসনটি ১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এখানে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বিজয়ী হয়েছে, জামায়াতের তেমন প্রভাব ছিল না। এবার বিএনপির জন্য সুযোগ এসেছিল বলে দলটির নেতাকর্মীদের ধারণা ছিল।

বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পরাজয়ের পেছনে মূল কারণ দলীয় কোন্দল ও নিজ দলের এক নেতা ও তার অনুসারীদের প্রতারণা।

তাহেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আবু নঈম শামসুর রহমান মিন্টু ও ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাকসহ দলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, নির্বাচনে তফসীল ঘোষণার আগে এই আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুলসহ বিএনপি থেকে মোট ১১ জন নেতা মনোনয়ন চেয়েছিলেন।

মাঠপর্যায়ে জরিপে ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলীয় মনোনয়ন পান; কিন্তু মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর রেজাউল করিম টুটুলসহ অন্যান্য মনোনয়ন বঞ্চিতরা জিয়ার পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও অধ্যাপক কামাল হোসেন ও তার অনুসারীরা গোপনে বিরোধিতা করেছেন। যার ফলে এ আসনটিতে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে।

আরও পড়ুন