জামায়াতে ইসলামীর এমপিরা সেবকের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি বৃহস্পতিবার ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় ইফতার সামগ্রী বিতরণপূর্বক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, নির্বাচিত হওয়ার আগেই জামায়াত আমির ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা শাসক নয় সেবক হতে চাই। জনগণ জামায়াত আমিরের সেই ঘোষণায় আস্থা ও বিশ্বাস রেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ভোট কারচুপি করে ১১ দলীয় জোটকে পরাজিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে কারচুপির বহু প্রমাণ এরইমধ্যে জাতির সামনে উম্মোচন হয়েছে। ঢাকা-৪ আসনের জনগণের ভোট নিয়েও নানারকম টালবাহানার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এখানকার জনগণ নিজেদের ভোটের হিসাব বুঝে নিতে সজাগ ছিল। যার কারণে দিনভর নাটকীয়তা চালিয়েও ঢাকা-৪ আসনে জনগণের ভোট নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেনি।
ইফতার সামগ্রী রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নয় জামায়াতে ইসলামীর দলীয় অর্থায়নে উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, জামায়াত প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজ সেবার অংশ হিসেবে ব্যাপক ভিত্তিক সামাজিক কার্যাক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে জামায়াতে ইসলামী সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। কারণ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে মানুষ হিসেবে সমাজে আমরা সবাই সমান।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ঢাকা-৪ হচ্ছে বঞ্চিত-অবহেলিত এলাকা। এই এলাকাকে নিরাপদ ও আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় কোনো চাঁদাবাজি, কোনো সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, দুর্নীতি চলবে না।
জামায়াতের কদমতলী পশ্চিম থানা আমির কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কদমতলী পূর্ব থানা আমির মো. আব্দুর রহিম জীবন, কদমতলী মধ্য থানা আমির মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মহানগর মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা নেছার উদ্দিন।
