রমজানে মুরগির দাম কমল, গরু-মাছের দাম চড়া

রমজানে মুরগির দাম কমল, গরু-মাছের দাম চড়া

পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় দিনে শনিবার বিভিন্ন ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। রমজান শুরুর আগে মুরগির দামে উত্থান হয়েছিল, যা এখন স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে, মাছ এবং গরু ও খাসির দাম রমজানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে শনিবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রথম রমজানে এটি ২০০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল। সোনালী মুরগির দামও কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমেছে, যা প্রথম রমজানে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা ছিল। অর্থাৎ সোনালী মুরগির দাম দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বিক্রেতারা জানান, প্রতিবছর রোজার শুরুতে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বাড়ে, যা সরবরাহে চাপ তৈরি করে এবং দাম বাড়ায়। এবার মুরগির চাহিদা তুলনামূলক কম হওয়ায় দুই-তিন দিনের মধ্যেই দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে এসেছে। ৫-৭টি রোজার পর দাম আবার আগের পর্যায়ে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কমলেও গরুর মাংস চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। রমজানের ১৫-২০ দিন আগে কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়া গরুর মাংস এখনো ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একমাস আগে এটি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় পাওয়া যেত। খাসির মাংস আগের দামেই ১ হাজার ১০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও প্রায় সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি রয়েছে। রুই মাছ প্রতি কেজি ২৮০-৩২০ টাকায়, কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ি প্রতি কেজি ৬৫০-৭০০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন