ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম বিশ্বে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা ও ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে শত শত মানুষ কালো পোশাক পরে লাঠিসোঁটা ও পাথর নিয়ে দূতাবাস ঘেরাও করে। নিরাপত্তা বাহিনী আগে থেকেই মার্কিন স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছিল। বিক্ষোভকারীরা দূতাবাসের সীমানায় প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। নিরাপত্তাকর্মীরা টিয়ারশেল ও শক্তি প্রয়োগ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সক্ষম হয়। এই সংঘর্ষে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি এখনো থমথমে রয়েছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আলী নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে চিরতরে উৎখাত করতে চাই, সেই লক্ষ্যেই আমরা আজ এখানে সমবেত হয়েছি।” একই সময়ে পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বিক্ষুব্ধ জনতা কনস্যুলেট লক্ষ্য করে হামলা চালালে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই সংঘর্ষে ৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত এবং অনেকেই আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
