আনচেলত্তির সঙ্গে বাজিতে জিতে উপহার চাইলেন ভিনিসিয়াস

আনচেলত্তির সঙ্গে বাজিতে জিতে উপহার চাইলেন ভিনিসিয়াস

ব্রাজিলের আক্রমণভাগে গতি, ড্রিবলিং আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ের জন্য পরিচিত ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তবে খুব বেশি লম্বা না হওয়ায় হেড থেকে গোল করা তার জন্য সহজ কাজ নয়। অথচ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সেই কঠিন কাজটিই দারুণভাবে করে দেখালেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

বৃহস্পতিবার মিয়ামি গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ বত্রিশে জায়গা নিশ্চিত করে ব্রাজিল। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন ভিনিসিয়াস। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্রুনো গিমারেজের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।

তবে এই গোলের গুরুত্ব শুধু ব্যবধান বাড়ানোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। হেড থেকে পাওয়া গোলটি ভিনিসিয়াসকে জিতিয়ে দিয়েছে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির সঙ্গে করা একটি ব্যক্তিগত বাজিও।

ম্যাচ শেষে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হওয়া ভিনিসিয়াস জানান, হেড থেকে গোল করার বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে আনচেলত্তির একটি মজার চ্যালেঞ্জ ছিল। কোচ বিশ্বাস করতেন, তার পক্ষে হেডে গোল করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন তিনি।

ভিনিসিয়াস বলেন, আমি কার্লো আনচেলত্তিকে বলেছিলাম, একদিন আমি হেড থেকে গোল করব। তিনি বলেছিলেন, এটা প্রায় অসম্ভব। তবে যদি আমি সেটা করতে পারি, তাহলে তিনি আমাকে একটি উপহার দেবেন। এখন আমি সেই উপহারের অপেক্ষায় আছি।

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ভিনিসিয়াস। মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে গোল করার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিন ম্যাচে নিজের গোলসংখ্যা চারটিতে উন্নীত করেছেন তিনি।

এছাড়া ২০০২ সালের পর প্রথম ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করার অনন্য কীর্তিও গড়েছেন এই ফরোয়ার্ড। ফলে নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

আরও পড়ুন