অন্যের ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল পাম্পে আসা তরুণকে ইউএনওর মারধর

অন্যের ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল পাম্পে আসা তরুণকে ইউএনওর মারধর

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় অন্যের ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা এক তরুণকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে।

গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারে লুবানা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র রায় শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ফুয়েল কার্ড ও মোটরসাইকেল স্থানীয় গ্যারেজ মালিক প্রদীপ চন্দ্র রায়ের কাছে দেন। প্রদীপ তার কর্মচারী নদী চন্দ্র রায়কে তেল আনতে পাঠান।

নদী চন্দ্র রায় ফিলিং স্টেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতে থাকা ফুয়েল কার্ড পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদী চন্দ্র রায়ের চেহারার মিল না থাকায় ইউএনও তাকে মারধর করেন।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের প্রতিবাদের পর বিষয়টি পুনরায় যাচাই করা হয়। এক ঘণ্টা পর নদী চন্দ্র রায়কে তার মোটরসাইকেলসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।

নদী চন্দ্র রায় বলেন, আমি মালিকের কথায় তেল নিতে গিয়েছিলাম এবং ইউএনও বিনা কারণে আমাকে মারধর করেছেন। আমি এর বিচার চাই।

সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র রায় বলেন, আমি অসুস্থ থাকায় গ্যারেজ মালিকের সহায়তা নিয়েছিলাম। এভাবে একজন নির্দোষ মানুষকে মারধর করা হয়েছে, তা আমি কল্পনাও করিনি।

এ বিষয়ে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান জানান, তিনি শুধু তরুণের মোটরসাইকেলের চাবি নিয়েছিলেন, গায়ে হাত তুলেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে নদী চন্দ্র রায়কে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে, এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন