কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনের অতিরিক্ত লোকো (ইঞ্জিন) খুলে গিয়ে ওয়েম্যান জাহিদ হোসেন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় তার পাজরের ছয়টি হাড় ভেঙে গেছে এবং তিনি বর্তমানে রাজশাহীর পবা উপজেলার শ্যামপুরে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসা খরচ বাবদ তার পরিবার ৩০ হাজার টাকার বেশি খরচ করেছে, তবে এখনও রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা পায়নি।
জাহিদ শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন এবং বুকের ব্যথার কারণে উঠে বসতে পারছেন না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তাকে আগামী ছয় মাস বিশ্রামে থাকতে হবে। তার স্ত্রী মোছা. ময়ূরী খাতুন জানিয়েছেন, চিকিৎসার খরচ তাদের নিজেদের বহন করতে হচ্ছে এবং রেল কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনাটি ৩ জুন রাজশাহী নগরীর নতুন বুধপাড়া রেলক্রসিং এলাকায় ঘটেছে। ঘটনার সময় জাহিদ কর্মরত ছিলেন এবং দুর্ঘটনাটি ‘অন ডিউটি’ হওয়ায় পরিবারের দাবি, রেল কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া। বর্তমানে তারা আশা করছেন, জাহিদ সুস্থ হলে তাকে অফিসিয়াল পদে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।
রেলওয়ের সহকর্মীরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে জাহিদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন এবং কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা হয়েছে। জাহিদ বলেন, দুর্ঘটনার সময় তিনি কিছু বুঝে উঠার আগেই আহত হন। তার শরীরের অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি সাহায্য ছাড়া উঠতে পারছেন না।
স্থানীয় রেলওয়ে কর্মকর্তা মো. বাকিতুল্লাহ বলেন, জাহিদের চিকিৎসায় সহকর্মীরা আর্থিক সাহায্যের চেষ্টা করছেন।
