সাভারের আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর কুরগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন গোলাম সাব্বির আহমেদ নামে এক সাংবাদিক। হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গোলাম সাব্বির আহমেদ দৈনিক সমাচারের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলামিন হোসেনের সঙ্গে পূর্বের আলোচিত কিছু বিষয় জানতে মোবাইলে যোগাযোগ করেন গোলাম সাব্বির। এ সময় আলামিনের বাসার নিকটস্থ রফিকের টেকে সাব্বিরকে ডেকে আনা হয়। সেখানে আলামিনসহ একই এলাকার রানা, আকাশ ও রাসেল উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক কথোপকথনের একপর্যায়ে হঠাৎ সোহাগ সেখানে হাজির হন। এ সময় কোমর থেকে ছুরি বের করে গোলাম সাব্বিরের মাথায় ও হাতে কয়েকটি আঘাত করেন তিনি। এতে সাব্বির গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান। হামলাকারীরা পুনরায় মারধর শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। তবে সেখানে হামলাকারীরা তার উপর হামলা চালাতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় সাব্বিরকে স্থানীয় রিকশাওয়ালা ও তার মায়ের সহযোগিতায় পাশের হাবিব ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক দ্রুত সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাব্বির। তিনি জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে সোহাগের ছোট ভাই সজিব মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ছিনতাইকালে পুলিশের কাছে খবর দিয়েছিলেন সাব্বির, এরপর তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
