ফুয়েল পাস থাকা সত্ত্বেও তেলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা অব্যাহত রয়েছে। আসাদগেটের সোনার বাংলা ফুয়েল স্টেশনে মাহমুদ হোসেন নামের একজন পাঠাও চালক সকাল ৮টা থেকে তেল নিতে অপেক্ষা করছেন। তিনি দুপুর ১টার দিকে নজেলের কাছে পৌঁছান এবং ৫ ঘণ্টা অপেক্ষার পর বাইকে তেল নিতে সক্ষম হন।
মাহমুদ বলেন, “এখানে দুটি লাইন রয়েছে; একটি ফুয়েল পাসের এবং অন্যটি পাসহীনদের। কিন্তু উভয় লাইনের ভিড়ই বিশাল। পাসধারীরা কিছুটা বেশি তেল পাচ্ছেন, তবে ভোগান্তি কমছেই না।”
অন্যদিকে, নাজমুল নামের আরেক ফুয়েল পাসধারী বাইকার জানান, তিন ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং কখন নজেলের কাছে পৌঁছাবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন। সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন জানাচ্ছে, পাসধারীদের ১ হাজার টাকার এবং পাসহীনদের ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে পাসধারী ও পাসহীন বাইকাররা একই লাইনে অপেক্ষা করছেন। এখানে পাসধারীদের ১২০০ টাকার এবং পাসহীনদের ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। কাউছার আহমেদ নামের একজন বাইকার সকাল ৭টা থেকে অপেক্ষা করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তেল পান এবং বলেন, “এই ভোগান্তির শেষ কবে হবে?”
এদিকে, গত শনিবার থেকে ফুয়েল পাসের সাইট কারিগরি উন্নয়নের জন্য বন্ধ ছিল, তবে রবিবার রাতে এটি পুনরায় চালু হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আইসিটি শাখার সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হক রাজিব ঢাকা পোস্টকে জানান, সাইটটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
