যুদ্ধের প্রভাবে দেশের বাজারে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বেড়েছে

যুদ্ধের প্রভাবে দেশের বাজারে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বেড়েছে

গত কয়েক সপ্তাহে যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের পাইকারি বাজারগুলোতে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ বাড়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ বিঘ্ন ঘটেছে।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে বাজার স্থিতিশীল ছিল, তবে ঈদের পর সরবরাহ কমে আসায় পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক জানান, সয়াবিন তেলের দাম ৭ হাজার ৪০০ টাকা হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬ হাজার ৬০০ টাকা।

ঢাকার কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সেখানে বোতলজাত তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ৬ হাজার ৬০০ থেকে ৬ হাজার ৭০০ টাকায় পৌঁছেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রধানত ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন তেল ও কাঁচা তেলবীজ আমদানি করে। বিশ্ববাজারে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের বাজারে প্রভাব ফেলছে।

ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক জানান, বৈশ্বিক আমদানির খরচ বাড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

এছাড়া, খাতুনগঞ্জে মসলার দামও বেড়েছে, বিশেষ করে পেস্তা বাদামের দাম ৩০ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। চিনির দামও বেড়েছে, বর্তমানে প্রতি মণ ৩ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে, যা আমদানির খরচ বাড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন