তুরস্কভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ‘তার্কিশডক’-এর সাবেক কর্মীর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যে দেশটিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক।
ভুক্তভোগী নিরব নজরুল লিখন অভিযোগ করেন, তার মায়ের কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য তিনি রাজুর সঙ্গে ২৩ হাজার ডলারে চুক্তি করেন। তুরস্কে যাওয়ার পর রাজু ও তার সহযোগীরা প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে মাকে দেশে পাঠিয়ে দেন।
লিখনের অভিযোগের তদন্তে র্যাব-৪ নুরুজ্জামান রাজু সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। র্যাব জানায়, ২০২৩ সালে ‘তার্কিশডক’ প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে রাজু কাজ শুরু করেন এবং ২০২৪ সালে কার্যক্রম বন্ধ হলে তিনি ‘তার্কিশডকবিডি’ নামে নকল ওয়েবসাইট খুলে প্রতারণা চালিয়ে যান।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন রাজু (৩৬), মোহাম্মদ তরিকুল (৩০), সালমান ফারসি (৩৫), মাসুম বিল্লাহ (৪৩), এবং ওয়ালিদ মিয়া (২৬)। র্যাবের কর্মকর্তারা জানান, রাজু প্রায় ১৫০ রোগীকে তুরস্কে পাঠিয়ে প্রতারণা করেছেন।
ভুক্তভোগী লিখন অভিযোগ করেন, তার মায়ের ডায়ালাইসিস প্রয়োজন ছিল কিন্তু প্রতারণার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। অন্য ভুক্তভোগী হাসান মাহমুদও অভিযোগ করেন, তার ভাইয়ের কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য ৮০ হাজার ডলার আদায় করা হয়েছিল।
র্যাব-৪ পরামর্শ দিয়েছে, তুরস্কে যাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির যাচাই-বাছাই করতে এবং অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগীদের থানায় যোগাযোগ করতে।
