ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের কার্যাদেশে অনিয়ম, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৩ জুন দিন ধার্য করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত সংস্থা দুদক প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য বিচারক নতুন তারিখ ধার্য করেন।
গত ২১ ডিসেম্বর এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। অপর ১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও অন্যান্যরা।
দুদকের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তানজিল হাসান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, সিএনএস লিমিটেড একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করে ১৭.৭৫% সার্ভিস চার্জে কার্যাদেশ পেয়েছে, যার ফলে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, ২০১৬ সালে টোল আদায়কারী হিসেবে সিএনএস লিমিটেডকে নিয়োগ দিতে আগের দরপত্র বাতিল করে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়। দুদকের অনুসন্ধানে এ অনিয়মের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশ রয়েছে বলে জানা গেছে।
