ঈদুল ফিতরের উপলক্ষে বাড়ি ফিরতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। তাদের মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ মাহবুব আলম, যিনি পেশায় দর্জি, ১০ দিনের ছুটিতে দুই নাতি নিয়ে নওগাঁয়ে যাচ্ছেন। বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এবার নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট পেয়েছেন এবং স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে বাড়তি ভাড়া না নেওয়ায় খুশি অন্যান্য যাত্রীরাও। মাহবুব বলেন, অন্যান্য ঈদে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হতো, কিন্তু এবার ঠিকঠাক ভাড়ায় টিকিট পাওয়া গেছে।
সিলেটগামী যাত্রী সাব্বির আহমেদ জানান, তিনি সবসময় এসি বাসে যাতায়াত করেন এবং এইবারও স্বাভাবিক ভাড়ায় টিকিট পেয়েছেন। তিনি ভোগান্তির আশঙ্কা নিয়ে আগেভাগে কাউন্টারে এসেছিলেন, তবে তেমন কোনো চাপ অনুভব করেননি।
ঢাকা-সিলেটগামী বিলাস পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার জয় বলেন, এবারের যাত্রীর চাপ কম এবং সরকার নির্ধারিত ভাড়াতেই টিকিট দেওয়া হচ্ছে।
একতা ট্রান্সপোর্টের কর্মী আসিফ মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগে ছুটি দেওয়ায় যাত্রীদের চাপ কম। তিনি জানান, চার-পাঁচ দিন আগেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন লোকজন।
এদিকে, প্রশাসন অতিরিক্ত ভাড়া রোধে তৎপর রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিআরটিএ-র কর্মকর্তারা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে টহল দিচ্ছেন। সবমিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রা যাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক বলে মনে হচ্ছে।
