জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বাংলাদেশের জনগণের রায়ে তৃতীয় বৃহত্তম দল এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার যুগান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এটিকে এনসিপির জন্য অসাধারণ অর্জন বলে উল্লেখ করেছেন।
সারোয়ার তুষার বলেন, নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ে এনসিপি-জামায়াত জোট গঠিত হওয়ায় পারস্পরিক আস্থা, যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লেগেছে। তিনি মনে করেন, এই কারণে দলটি আরও ভালো ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তবে প্রথমবার নির্বাচন করেই ৬টি আসন পাওয়াকে তিনি একটি অসাধারণ সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি আরও বলেন, এনসিপি প্রতিষ্ঠার এক বছর পূর্তির আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন প্রতীক শাপলা কলি পাওয়ার পর মাত্র তিন-চার মাস সময় ছিল। এই অল্প সময়ে প্রতীক পরিচিত করানো বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু দলটি সারা বাংলাদেশে ৩০টি আসনে ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
জামায়াতের সঙ্গে জোটের গুরুত্ব প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার বলেন, সংস্কারের রাজনীতি চালিয়ে যেতে হবে এবং গণতান্ত্রিক বিরোধী দলের রাজনীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জোটের উদ্দেশ্য এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি, বিশেষত বিএনপি শপথ না নেওয়ায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, এনসিপির ছয় জন সংসদ সদস্য থাকায় দলটি নারী সংরক্ষিত আসন পাবে এবং উচ্চকক্ষে আরও কিছু সদস্য পেতে পারে। এর ফলে সারাদেশে এনসিপির প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং সংগঠনকে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
