দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও মো. মাহমুদুল হাসান। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, তুহিন ফারাবী ও মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগের মধ্যে ছিল ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি। কমিশন তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয় এবং দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি প্রদান করে।
তুহিন ফারাবী বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কয়েকজন সাংবাদিকের মনগড়া ধারাবাহিক প্রতিবেদনের কারণেই দুদক আমাদের হয়রানি করতে বাধ্য হয়েছিল।’
অন্যদিকে, মাহমুদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ‘তদবির ও অনৈতিক লেনদেনের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। আমি মূলত জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছি।’
দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যুব অধিকার পরিষদ ও আইনজীবীদের অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তুহিন ফারাবী ২০২৪ সালে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান, কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
