১৫ বছরে টাকার মান প্রায় অর্ধেকে নেমেছে এবং আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আজ শুক্রবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে অর্থনৈতিক সূচকের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০১-০৬ সালে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের মধ্যে একটি সুস্থ ভারসাম্য বজায় রাখতে নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে বিনিয়োগ জিডিপির ৩০ দশমিক ৭০ শতাংশে পৌঁছালেও সঞ্চয় ২৮ দশমিক ৪২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা বহিঃখাতে চাপ বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান ছিল ৬৭ দশমিক ২ টাকা, যা বর্তমানে ১১১ টাকায় পৌঁছেছে।
মুদ্রা সরবরাহের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে এম২ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কমে ৭ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ২০০৬ সালের ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও অপচয়ের কারণে রাজস্ব আহরণে সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে বলেন, ২০০৫-০৬ সালে মোট রাজস্ব ছিল ৪৩৯ বিলিয়ন টাকা, যা বর্তমানে ৪ হাজার ৯০ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছলেও জিডিপির অনুপাতে তা অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজেট ঘাটতি বেড়ে ৪ দশমিক ০৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা প্রকল্পের অতিমূল্যায়ন ও সঠিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অভাবের কারণে হয়েছে।
