রমজান মাসে সূর্যাস্তের পর ইফতারের সময় খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত হিসেবে পরিচিত। হাদিসে উল্লেখ আছে, খেজুর দিয়ে ইফতার করলে বরকত পাওয়া যায়, আর তা না থাকলে পানি দিয়েও ইফতার করা যায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ইফতার করবে, সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। নিশ্চয়ই এতে বরকত রয়েছে। যদি খেজুর না পায়, তবে পানি দিয়ে ইফতার করবে। কেননা পানি পবিত্র।’ (তিরমিজি ৬৫৪)। এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত এবং এতে বরকত রয়েছে।
ইফতারে দ্রুত রোজা ভাঙাও সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যতদিন মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।’ (বুখারি ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮)। খেজুর দিয়ে ইফতার করা ফরজ নয়, তবে তা উত্তম আমল হিসেবে বিবেচিত।
খেজুরসহ বিভিন্ন ফল আল্লাহর নেয়ামত হিসেবে কুরআনে উল্লেখিত। সুরা আল-আনআমের ৯৯ নম্বর আয়াতে খেজুরকে আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে খেজুর আমদানি করা হয় এবং তা দিয়ে ইফতার করা যায়, তবে স্থানীয় পুষ্টিকর ফল দিয়েও ইফতার করা যেতে পারে।
মূলত, সময় মতো ইফতার করা এবং আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকাই গুরুত্বপূর্ণ। রমজানের ইফতার সুন্নত অনুসরণ ও তাকওয়া চর্চার মাধ্যমে বরকত অর্জনের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়।
