শ্রমিকদল নেতা মাসুম হত্যায় অংশ নেয় সন্ত্রাসীদের তিনটি গ্রুপ, আটক ২

শ্রমিকদল নেতা মাসুম হত্যায় অংশ নেয় সন্ত্রাসীদের তিনটি গ্রুপ, আটক ২

খুলনায় এক জুতার শো-রুমে প্রবেশ করে রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ আটক করেছে অশোক ঘোষকে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা ট্রাক টার্মিনাল এলাকা থেকে মো. জাবেদ গাজী নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। জাবেদ স্থানীয় আশরাফ আলীর ছেলে এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে।

অশোক ঘোষকে আসামি করে অস্ত্র আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে রিমান্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং বিএনপি নেতা শফিকুল আলম মনা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

কেএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম জানান, হত্যার পরিকল্পনা পূর্বে থেকেই করা হয়েছিল এবং হত্যাকারীরা গোয়েন্দাগিরি করে মাসুমের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল। হত্যাকাণ্ডে মোট ৮ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেছে।

মাসুমের পরিবার মামলা করলে আটক জাবেদকেও আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এদিকে, অলংকারের উৎস সম্পর্কে তদন্ত চলছে এবং অশোক ঘোষকে একজন কনট্রাক্ট কিলার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি হত্যাকাণ্ডের জন্য ৫০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন।

হত্যাকাণ্ডটি ঘটে বুধবার রাত ৯টার দিকে যখন মাসুম পরিবারের সাথে ডাকবাংলা মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসেন।

আরও পড়ুন