দেশে সামাজিক কল্যাণে সংগঠকদের এগিয়ে আসা উচিত

দেশে সামাজিক কল্যাণে সংগঠকদের এগিয়ে আসা উচিত

পূর্ব লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ‘সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউকে’-র উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৮ মার্চ পূর্ব লন্ডনের মাইক্রো বিজনেস সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল আলী রউফ। সাধারণ সম্পাদক মো. সিজিল মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য আপসানা বেগম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আপসানা বেগম সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি ইউকের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই সংগঠনটি বাংলাদেশে আর্তমানবতার কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে সংগঠনের এই মহতি ও মানবিক কাজের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশা করি। প্রবাসে থেকেও নিজ মাতৃভূমির সামাজিক কল্যাণে বিত্তবান ও সংগঠকদের এভাবে এগিয়ে আসা উচিত।

সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক সাজিদুর রহমান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন এবং দিরাই থানা ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ইউকের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, উপদেষ্টা মুহিব চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম শিপার, ডক্টর সামসুল হক চৌধুরী, সৈয়দ মাসুক আহমেদ ও শামসুদ্দিন চৌধুরী রুমি। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফখরুল আলম চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, তারিফ আহমেদ, চন্দন মিয়া, হেলাল মিয়া, মাহমুদ আলী ও আঙ্গুর আলী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি এস কে এম আশরাফুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট বিপ্লব সরদার এবং দিরাই শাল্লা কালচারাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম নজরুল। এছাড়াও সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান, জয়নুল হক পাবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আক্তার হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য সদস্যরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশে বিভিন্ন দুর্যোগময় সময়ে দুর্গত ও অসহায় মানুষের সহায়তায় কাজ করে আসছে। আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

আরও পড়ুন