ভূমধ্যসাগরে ইউরোপগামী একটি নৌযানডুবির ঘটনায় ১০৫ যাত্রীর মধ্যে ৩২ জনকে জীবিত ও ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৭০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী।
ইতালির কোস্টগার্ড ও এনজিও সংস্থা মেডিটেরেনিয়া সেভিং হিউম্যানের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। জীবিত উদ্ধার ব্যক্তিরা সবাই পুরুষ এবং তাদের মধ্যে বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও মিসরের নাগরিক রয়েছেন।
জীবিত উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কোস্টগার্ডকে জানিয়েছেন, কঠিন আবহাওয়া ও সাগরের বড় ঢেউয়ের মুখে টিকতে না পেরে তাদের নৌযানটি ডুবে যায়। জার্মান সংস্থা সি-ওয়াচ উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করে এবং বিমান পাঠায়।
মেডিটেরেনিয়া সেভিং হিউম্যানের এক বার্তায় বলা হয়েছে, শনিবার বিকেলে একটি কাঠের নৌযান ভূমধ্যসাগরের সার্চ অ্যান্ড রেস্কিউ জোন-এলাকায় ডুবে যায়। নৌযানটি লিবিয়ার তাজাউর থেকে রওনা হয়েছিল এবং লিবিয়ার বৌরি অয়েল ফিল্ড থেকে ১৪ নটিক্যাল মাইল উত্তরপূর্বে ডুবেছে।
দুই মরদেহ ও জীবিত যাত্রীদের ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে নেওয়া হয়েছে। মেডিটেরেনিয়া সেভিং হিউম্যান এক্সবার্তায় নিখোঁজদের উদ্দেশে শোক জানিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিরাপদ অভিবাসননীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
ভূমধ্যসাগর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে জনপ্রিয় হলেও বিপজ্জনক রুট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৭২৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন।
