ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন এবং ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান। রোববার (২০ এপ্রিল) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান।
তিনি বলেন, ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধ কেবল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন নয়, বরং এটি পুরোপুরি অবৈধ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, এই অবরোধ জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী এবং এটি একটি সুস্পষ্ট আগ্রাসন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানের ওপর যে বিধিনিষেধ চাপিয়ে দিচ্ছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও দাবি করেন, এই অবরোধের মাধ্যমে সাধারণ ইরানি জনগণের ওপর সম্মিলিত শাস্তি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক জনগণের জীবনযাত্রাকে সংকটে ফেলছে। তেহরান এই পরিস্থিতিকে কেবল একটি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব হিসেবে নয়, বরং বৈশ্বিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।
বাঘাইয়ের এই বক্তব্যের পর দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
