মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিয়েছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ইসলামাবাদে কোনো চুক্তি হয় তাহলে “আমি হয়তো নিজেও সেখানে যেতে পারি।”
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব শর্ত মেনে নিয়েছে। পাকিস্তান বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি হয়তো যাব, হ্যাঁ। যদি ইসলামাবাদে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়, আমি হয়তো যাব। ফিল্ড মার্শাল (আসিম মুনির) চমৎকার, প্রধানমন্ত্রী (শেহবাজ শরীফ) পাকিস্তানে সত্যিই অসাধারণ।” তিনি আরও জানান, “আমার মনে হয় আমরা ইরানের সঙ্গে চুক্তির খুব কাছাকাছি।”
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ২০ বছর পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন না করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, “ভালো লাগছে যে আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির দিকে এগোচ্ছি, এবং এটি একটি ভালো চুক্তি হবে, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।”
এদিকে, ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন এবং জানান, ইসরায়েল ও লেবানন “সম্ভবত আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হোয়াইট হাউসে এসে বৈঠক করবে।”
যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় লেবাননের হেজবুল্লাহ সম্মত হয়েছে, তবে শর্ত দিয়েছে যে, হামলা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে এবং ইসরায়েলি বাহিনীর অবাধ চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে।
ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট মন্তব্য করেছেন, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য শক্ত অবস্থান থেকে যুদ্ধবিরতি আসা উচিত।” লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রতিক্রিয়া স্বস্তির পাশাপাশি সংশয়ের সৃষ্টি করেছে।
বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনার জানান, যুদ্ধবিরতি খুবই ভঙ্গুর এবং এটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত।
