পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনা কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত মেটানোর একটি প্রচেষ্টা হলেও, বর্তমান পরিস্থিতি উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী আলোচনা নিয়ে তাদের এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উভয় দেশ প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান ধরে রেখে নিজেদের অভ্যন্তরীণ জনমত রক্ষা করতে চাইছে। তবে, হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করছে। ট্রাম্প সম্প্রতি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন। পাল্টা জবাবে মার্কিন নৌবাহিনী একটি ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
আগামী বুধবার (২২ এপ্রিল) দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। যদি এর মধ্যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে কূটনীতি কি আরও বড় সংঘাতের পথ প্রশস্ত করবে? যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কার্যকর অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ইরানও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে নারাজ।
