বিএনপি নেতা সফিক সিকদার বহিষ্কার, আহত স্ত্রী ও সন্তানদের মারধরে

বিএনপি নেতা সফিক সিকদার বহিষ্কার, আহত স্ত্রী ও সন্তানদের মারধরে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরকীয়ার অভিযোগে এক বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে তাকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। অভিযুক্ত সফিক সিকদার বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এদিকে, পরকীয়ার ঘটনায় আটক হওয়ার পর বিয়ের পর নিজ বাড়িতে ফিরলে তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের মারধরে সফিক সিকদার আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১২টার দিকে বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামে সফিক সিকদার ও সাবিনা আক্তারকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় মাতুব্বরদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সফিক সিকদার একই ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে। মঙ্গলবার সকালে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে কটামারা জামে মসজিদে সাবিনা আক্তার ও সফিক সিকদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলে তার প্রথম স্ত্রী মালেকা বেগম, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে ইমা আক্তার মিলে তাকে মারধর করেন, ফলে সফিক সিকদার গুরুতর আহত হন এবং তার দুটি দাঁত ভেঙে যায়।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, রাতে মীমাংসার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, তবে বিয়ে ও মারধরের বিষয়ে তার জানা নেই। বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আতাউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে মীমাংসার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, রাতেই দুইজনের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয় এবং পরে রাত ২টার দিকে নেতারা তাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন