পাকিস্তান-আফগানিস্তান উত্তেজনা: সামরিক সক্ষমতার তুলনা

পাকিস্তান-আফগানিস্তান উত্তেজনা: সামরিক সক্ষমতার তুলনা

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রকাশ্য সংঘাতে রূপ নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আফগানিস্তানের কাবুলসহ বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। আফগানিস্তানও পাল্টা হামলা করেছে, যা দুই দেশের সীমান্তে সংঘাত সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তির তুলনায় প্রশ্ন উঠেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বর্তমান সামরিক শক্তির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ এবং সামরিক সক্ষমতায় আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। তবে তালেবান গেরিলাযুদ্ধের ক্ষেত্রে দক্ষ। ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার আগে তারা কয়েক দশক ধরে সশস্ত্র লড়াই চালিয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার সদস্য রয়েছে, whereas তালেবান সরকারের অধীনে আফগানিস্তানে যোদ্ধার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার। সামরিক অস্ত্রের দিক থেকেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে, যেখানে তাদের প্রায় ৬ হাজার সাঁজোয়া যান এবং ৪ হাজার ৬০০টির বেশি আর্টিলারি রয়েছে। তালেবানের কাছে কিছু পুরোনো সাঁজোয়া যান থাকলেও সেগুলোর সংখ্যা নিশ্চিত নয়।

আকাশ শক্তির ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কাছে অন্তত ৪৬৫টি যুদ্ধবিমান ও ২৬০টি হেলিকপ্টার রয়েছে। আফগানিস্তানের কার্যকর কোনো বিমান বাহিনী নেই, এবং তাদের কাছে পুরোনো কিছু বিমান ও হেলিকপ্টার থাকলেও সেগুলো কতটা সক্রিয়, তা স্পষ্ট নয়। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেলে যাওয়া সামরিক সরঞ্জাম তালেবান বাহিনী হাতে পেলেও, সেগুলোর সক্ষমতা সময়ের সাথে সাথে কমে গেছে।

পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে পাকিস্তানের আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে, অন্যদিকে আফগানিস্তানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই।

আরও পড়ুন