আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এর পর থেকে জুনের বৈশ্বিক ইভেন্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে এবং ফিফা ইরানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। ইরান এই টুর্নামেন্টের টিকিট পেয়ে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রে খেলার কথা রয়েছে।
গত ডিসেম্বরে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছ থেকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ পাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন এবং এই অভিযানকে ‘বড় যুদ্ধ অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরান এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) মাধ্যমে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশরের বিপক্ষে খেলার জন্য নির্ধারিত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ফিফা মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন যে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যাবেন।
শনিবার ওয়েলসের কার্ডিফে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় গ্রাফস্ট্রম বলেন, ‘আমি আজ সকালে ইরান সম্পর্কে খবরটি সেভাবেই পড়েছি যেভাবে আপনারা পড়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের একটি বৈঠক ছিল এবং বিস্তারিত মন্তব্য করা এখনই ঠিক হবে না, তবে আমরা বিশ্বের চারপাশের সকল সমস্যার ওপর নজর রাখব।’
গ্রাফস্ট্রম জানান, ‘আমরা সবসময় তিনটি আয়োজক দেশের সরকারের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখব যেমনটা আমরা যেকোনো ক্ষেত্রে করি। সবাই নিরাপদ থাকবে।’ লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরানের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং ২৬ জুন মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটি সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হবে।
