তেহরানে খামেনির হত্যা: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযান

তেহরানে খামেনির হত্যা: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে শনিবার ভোরে তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করেছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে গোপন বৈঠকের সময় এই অভিযান পরিচালিত হয়। ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী ওই সময় অপ্রস্তুত ছিল।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি তেহরানের একটি সুরক্ষিত ভবনে শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনির অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছিল এবং সঠিক তথ্য ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করছিল।

হামলার পরিকল্পনা রাতের পরিবর্তে সকালে শুরু হওয়ার তথ্য পাওয়ার পর, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মার্কিন সূত্র জানায়, খামেনির বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই বিমান ও নৌ হামলা শুরু হয়।

ইসরায়েলি সময় ভোর ৬টায় শুরু হওয়া এই অভিযানে ৩০টি বোমা ব্যবহৃত হয়। হামলায় খামেনির পাশাপাশি অন্যান্য সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারাও নিহত হন।

রোববার ইরান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা হামলায় শামখানি ও পাকপুরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। হামলায় প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে খামেনির পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।

ইরান ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে এবং হামলার আদেশদাতাদের প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জানায়, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আইআরজিসির কট্টরপন্থীরা ক্ষমতায় আসতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘটনার ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ সুগম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

আরও পড়ুন