খামেনির মৃত্যুর পর খোমেনির সম্ভাব্য নেতার পরিচয়

খামেনির মৃত্যুর পর খোমেনির সম্ভাব্য নেতার পরিচয়

ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের পর তার নাতি হাসান খোমেনি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। ৮৬ বছর বয়সি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলায় নিহত হওয়ার পর ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে হবেন—এ প্রশ্নটি আবারও সামনে এসেছে।

৫৩ বছর বয়সি হাসান খোমেনি, খামেনির ১৫ জন নাতি-নাতনির মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত। তিনি ইরানের ধর্মীয় কাঠামোর মধ্যে মধ্যপন্থি হিসেবে পরিচিত এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দক্ষিণ তেহরানে তার দাদার মাজারের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে তার একটি প্রতীকী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

খোমেনি কখনও সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেননি, তবে কিছু রাজনীতিক তাকে খামেনির সময় কট্টরপন্থিদের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন। জানুয়ারিতে ইরানে ছড়িয়ে পড়া অস্থিরতার পর মধ্যপন্থি উত্তরসূরি আনার পক্ষে কিছু মহলে সমর্থন জোরদার হয়েছে।

২০১৫ সালে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাকে ‘প্রগতিশীল ধর্মতাত্ত্বিক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি সামাজিক স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন এবং ইসলামী চিন্তার পাশাপাশি পাশ্চাত্য দর্শনেও আগ্রহী।

হাসান খোমেনি ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহিত হলেও রাজি হননি। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিকে তিনি সমর্থন করেছিলেন, যা নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে পরমাণু কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।

তিনি ইসরাইলকে ‘অশুভ জায়নবাদী শাসন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং মুসলিম বিশ্বকে শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। খোমেনি আরবি ও ইংরেজিতে সাবলীল এবং ২১ বছর বয়স পর্যন্ত ফুটবলে আগ্রহী ছিলেন।

আরও পড়ুন