ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই দলই বর্তমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রেখেছে। আগের দুই আসরে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার পর এবারও তারা তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে নামছে।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালিস্ট হিসেবে নিউজিল্যান্ড ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে পরাজিত করেছে। আজ (বৃহস্পতিবার) মুম্বাইয়ের ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে ফাইনালে ওঠার লড়াই অনুষ্ঠিত হবে।
গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ভারতকে একপেশে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিল। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ভারত ১৬৮ রান তোলে, এবং ইংল্যান্ড ১০ উইকেট হাতে রেখেই জয়ী হয়। পরবর্তীতে তারা পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জিতে। অপরদিকে, ২০২৪ সালের আসরে ভারত প্রতিশোধ নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১০১ রানে অলআউট করে ফাইনালে পৌঁছেছিল।
এই সেমিফাইনালটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। ভারত টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং তারা ৮ ম্যাচের মধ্যে ৭টিতে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড টালমাটাল পথ পাড়ি দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে।
ভারতের সঞ্জু স্যামসন সম্প্রতি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন, যেখানে ইংল্যান্ডের স্যাম কারান এবং হ্যারি ব্রুকও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ভারতের বোলিং আক্রমণের প্রধান অস্ত্র জাসপ্রিত বুমরাহ, যিনি প্রতিপক্ষের জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠতে পারেন। ইংল্যান্ডও জোফরা আর্চারকে নতুন কৌশলে ব্যবহার করছে, যা ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
