২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট টিম স্পেনের সঙ্গে ড্র করে আলোচনায় এসেছে কেপ ভার্দে। তবে, দলের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া তার অস্বাভাবিক পারফরম্যান্সের জন্য ফুটবল প্রেমীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন।
ম্যাচ শেষে ভোজিনিয়া জানিয়েছেন, ভিসা জটিলতার কারণে তার মা মাঠে উপস্থিত থেকে এই মুহূর্তটি উপভোগ করতে পারেননি। মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তিনি সাতটি সেভ করেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন।
ম্যাচ শেষে আবেগে ভেঙে পড়েন ভোজিনিয়া। সতীর্থদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে আবেগঘন মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে তিনি বলেন, ছোট একটি দেশ থেকে এসে বিশ্বকাপে স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে খেলা তাদের জন্য একটি বড় অর্জন।
তিনি জানান, ব্যক্তিগত কারণে এই ম্যাচটি তার জন্য বিশেষ আবেগঘন ছিল। শৈশবে দাদা-দাদির সঙ্গেই বড় হওয়া ভোজিনিয়া বলেন, তারা এখন আর জীবিত নেই এবং ভিসা সমস্যার কারণে তার মা-ও মাঠে আসতে পারেননি।
ম্যাচসেরা হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে ভোজিনিয়া বলেন, এটি তার জীবনের দীর্ঘ পরিশ্রমের ফল। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি পেশাদার ফুটবলার ছিলেন না বলেও উল্লেখ করেন।
ভোজিনিয়া বলেন, ‘আমি ১৮ বছর বয়সী তরুণ ভোজিনিয়াকে বলতাম—গর্ব করো ভোজি! তুমি অনেক পরিশ্রম করেছো। আমি কখনো ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে, কিন্তু আজ এটা বাস্তব।’
৪০ বছর ১২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে খেলে তিনি রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ইতিহাসে অভিষেক ম্যাচে মাঠে নামা সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়দের একজন তিনি।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, এটি শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো কেপ ভার্দের জন্য গর্বের মুহূর্ত। বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার উরুগুয়ের বিপক্ষে এবং এরপর ২৬ জুন তারা সৌদি আরবের বিপক্ষে খেলবে।
