জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে: বিদ্যুৎ বিভাগ

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে: বিদ্যুৎ বিভাগ

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অনেক, কিন্তু গ্যাস ও জ্বালানি স্বল্পতার কারণে আমরা উৎপাদন করতে পারছি না।”

রেহানা জানান, গতকাল গ্যাস ব্যবহার করে ৫ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে, যদিও উৎপাদন ক্ষমতা ১২ হাজার ১৫৪ মেগাওয়াট। এর ফলে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন অর্ধেকেরও কম হয়েছে। তিনি বলেন, “গতকাল বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট, ফলে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল।”

আজ বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৭ হাজার মেগাওয়াট এবং পূর্বাভাসে দেখা যাচ্ছে, ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, ফলে ৩ হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি থাকবে।

দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে ৪৩ শতাংশ বিদ্যুৎ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে উৎপাদিত হয়। রেহানা বলেন, “দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কম, ফলে এলএনজি আমদানি করে এবং তাতে ফুয়েল মিশিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।”

তিনি জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েল ও ডিজেল কম ব্যবহৃত হচ্ছে, তবে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়ছে। রেহানা বলেন, “জ্বালানি সংকট অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।”

বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, “গ্রাম এবং শহরের লোডশেডিং সমন্বয় এবং সেচের কার্যক্রমের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।” বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন