নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, একটি গণমাধ্যম তাকে ভুলভাবে কোট করেছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে কোট করে ফাইন্যান্সিয়াল একটা ইস্যুতে বলা হয়েছে। কোট করা হয়েছে, আমি নাকি বলেছি, পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে যাওয়া গেলেও কোনো অসুবিধা নেই। এটা বলার এখতিয়ার, অধিকার ও ক্ষমতা আমার নেই এবং আমি এটা বলিনি।’
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ঠাকুরগাঁওয়ের জামায়াত নেতা টাকাসহ আটকের ঘটনায় তাকে ভুলভাবে কোট করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা আমাকে মিসকোট করা হয়েছে। দয়া করে এরকম মিসকোট করবেন না। কারণ আমরা এখন একটা ভালো নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।’
ইসি সচিব আরো বলেন, ‘আমার কাছে জানতে যেটা চাওয়া হয়েছিল, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অর্থের ব্যাপারে আমি বলেছি। দেখেন যারা এটা ইন্টারসেপ্ট করেছে, তারা এই ব্যাপারে, সোর্স অ্যামাউন্ট অ্যান্ড পারপাস অব ফান্ড—এটা উপরে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। দ্যাট ইজ দ্য রিজন, দ্যাট ইজ দ্য অনলি থিং আই হ্যাভ সেড। এখন এটাকে যদি এখন দুর্ভাগ্যজনকভাবে মিসকোট করা হয়, সেটা অত্যন্ত অপমানজনক এবং আমি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ।’
জামায়াতের নেতাদের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘একটু আগে জামায়াত ইসলামীর একটা প্রতিনিধি দল এসেছিল, সাথে ১১ দলীয় জোটের নেতারা ছিলেন। বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে, তাদের এজেন্টদের ব্যাপারে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনার কথা আমাদের বলে গেছেন। আমরা বলেছি, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে জানান, রিটার্নিং অফিসারের কাছে জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানান।’
কোনো প্রার্থী কত টাকা বহন করতে পারবেন, এর আইনি ব্যাখ্যা কী—জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘এখানে আইনি ব্যাখ্যার কোনো ব্যাপার নেই। আমি আবারও বলছি, যে কর্তৃপক্ষ এটাকে ইন্টারসেপ্ট করেছেন বিষয়টা তাদের। আইনি ব্যাখ্যা তো তারাই দেবেন যারা ইন্টারসেপ্ট করেছেন। আমি কেন দেব?’
ইসি সচিব বলেন, ‘আপনারা যদি আমার কাছে আইনি ব্যাখ্যা চান, তাহলে তো এটা আমার প্রতিও অবিচার করা হচ্ছে। দয়া করে এই অপতথ্য সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসেন।’ আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইলেকশনের একটা ভালো দিকে আমরা আগাচ্ছি। আমরা সবাই সচেষ্ট থাকি যেন আমরা ইলেকশনটাকে সুন্দরভাবে করতে পারি।’
