অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস আপাতত কিছুদিন ঢাকায় থাকবেন। এরপর তিনি বিদেশে যাবেন, সম্ভবত প্যারিসে। আগামী সপ্তাহে তিনি যমুনা ছাড়বেন এবং গুলশানে তার নিজস্ব বাসভবনে যাবেন। প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে এবং যমুনাতেই উঠবেন ভাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গণপূর্ত বিভাগ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে এবং এই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দিয়ে ড. ইউনূস যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছেন। যদিও অর্থনীতি ভঙ্গুর ছিল।
কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি এবং বিদেশি বিনিয়োগ নেই। আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও দক্ষতার কোনো ছাপ রাখতে পারেননি। মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো শক্ত অবস্থান নেননি, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎসাহিত করেছেন। ক্ষমতার বাইরে একটি কুচক্রী মহলের কাছে তিনি নিজেকে সমর্পণ করে দিয়েছিলেন এবং স্বজনপ্রীতি ছিল মাত্রাতিরিক্ত।
নিজের সুবিধা অর্জনের প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো এবং ছাত্রদের নিয়োগকর্তা বলে নিজেকে হাসির পাত্র করেছিলেন। জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কতিপয় চুক্তি করে নিজেকে করেছেন বিতর্কিত, যে কারণে গায়ে লেগেছে ময়লা।
স্বজন তোষণের নীতি ছিল দৃষ্টিকটু। গ্রামীণের ঋণ মওকুফ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সব আয়োজনই সম্পন্ন করেছেন ক্ষমতায় থেকে। বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান এতো ন্যাক্কারজনকভাবে কোনো প্রয়াস নেননি।
