সাবেক ক্রীড়াবিদদের মধ্যে প্রথম টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হচ্ছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রীপরিষদে শপথ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
আজ সকালে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ শপথ নিয়েছেন এবং বিকেল চারটায় মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে সকাল থেকেই অনেক সংসদ সদস্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ফোন পেয়েছেন, যার মধ্যে আমিনুল হকও আছেন।
আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী কর্নেল (অব) আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রী পরিষদের সর্বোচ্চ ১০ ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকতে পারে, যাদের বিশেষ বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে।
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজ প্রথম মন্ত্রীত্ব পেয়েছিলেন এবং পরে আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমিনুল হক তৃতীয় সাবেক জাতীয় ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রী হতে চলছেন।
বিগত তিন চার দশকে সাদেক হোসেন খোকা, হারুনুর রশিদ, সালাম মুর্শেদী, সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মোর্তজা, হাসানুল হক ইনু, আলী আজরগর লবি, এহসানুল হক মিলনসহ আরও অনেকে ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীত্ব করেছেন, কিন্তু তাদের কেউই টেকনোক্র্যাট ছিলেন না।
জাতীয় নির্বাচনের আগে থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা ছিল যে বিএনপি জয়লাভ করলে আমিনুল হক ক্রীড়া মন্ত্রী হবেন। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হওয়ায় টেকনোক্র্যাট কোটায় তার মন্ত্রীত্ব নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাধারণত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী একজনই দায়িত্ব পালন করেন, তাই অনুমান করা হচ্ছে আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শীঘ্রই আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
