রমজান মাসে তারাবির নামাজ আদায় করা সুন্নত। এশার নামাজের পর ২০ রাকাত মতান্তরে আট রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ আদায় করা হয়, যা তারাবি নামাজ নামে পরিচিত। প্রতি চার রাকাত পরপর বিশ্রাম নেওয়া হয় এবং এই সময় দোয়া পাঠ করা হয়।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজান মাসে তারাবির নামাজ আদায় করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। তারাবি নামাজ দুই রাকাত করে পড়তে হয় এবং চার রাকাত পড়ার পর দোয়া পাঠ করতে হয়।
তারাবি নামাজের জন্য একটি বহুল প্রচলিত দোয়া রয়েছে: سُبْحانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ سُبْحانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظْمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ * سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِيْ لَا يَنَامُ وَلَا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدَ سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّنا وَرَبُّ المْلائِكَةِ وَالرُّوْحِ। উচ্চারণ: সুবহা-নাজিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহা-নাজিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরতি ওয়াল কিবরিয়া-য়ি ওয়াল জাবারূতি। সুবহা-নাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা-ইয়ানা-মু ওয়ালা- ইয়ামুতু আবাদান আবাদা; সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রব্বুনা-ওয়া রব্বুল মালা-য়িকাতি ওয়াররূহ।
তারাবি নামাজ শেষে সম্মিলিতভাবে বা ব্যক্তিগতভাবে মোনাজাত করার প্রচলন রয়েছে। মোনাজাতের জন্য একটি প্রচলিত দোয়া হলো: اَللَهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ الْجَنَّةَ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ يَا خَالِقَ الْجَنَّةَ وَالنَّارِ- بِرَحْمَتِكَ يَاعَزِيْزُ يَا غَفَّارُ يَا كَرِيْمُ يَا سَتَّارُ يَا رَحِيْمُ يَاجَبَّارُ يَاخَالِقُ يَابَارُّ – اَللَّهُمَّ اَجِرْنَا مِنَ النَّارِ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ- بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ। উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না-নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনাননার। ইয়া খ-লিক্বল জান্নাতা ওয়ান্নার। বিরাহমাতিকা ইয়া-আজিজু ইয়া-গাফফারু, ইয়া-ক্বারিমু ইয়া-সাত্তারু, ইয়া-রাহিমু ইয়া-জাব্বারু, ইয়া-খলিকু ইয়া-বারর। আল্লাহুম্মা আজিরনা-মিনান্নার। ইয়া-মুজিরু, ইয়া-মুজিরু, ইয়া-মুজিরু। বিরহমাতিকা ইয়া-আরহামার রাহিমিন।
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং তারাবির নামাজ এই মাসের একটি মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত।
