ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, গত নির্বাচনে জামায়াতকে হারানোর পেছনে কীভাবে ভোট হয়েছে, তা গোটা দেশের মানুষ জানে।
রফিকুল ইসলাম খান বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পল্টনস্থ জামায়াতের অফিসে এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘ভোট পড়েছে দাঁড়িপাল্লায়, আর পাস করানো হয়েছে অন্যজনকে।’ তিনি দাবি করেন, আদর্শবাদী শক্তিকে দমন বা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন করা যায় না।
তিনি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘যে নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, তা সাধারণ হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সময় সরকার ও সেনাবাহিনী কার্যকর ভূমিকা নেয়নি এবং এটি ছিল একটি মাস্টারপ্ল্যান।
রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাপ্রধান মঈন উ আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতের সাবেক আমির ও সেক্রেটারিসহ ১১ জন শীর্ষ নেতাকে প্রহসনের বিচারের নামে হত্যা করা হয়েছে।’ আলোচনা সভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরও অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
