সাতক্ষীরার এলজিইডি অফিসে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা দাবি করায় এক ঠিকাদারকে প্রায় এক ঘণ্টা কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলা এলজিইডি অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ঠিকাদার ও তালা উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, একটি টেন্ডারের জামানত হিসেবে জমা রাখা ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা ছাড় করতে গেলেই উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) আলামিন হোসেন তার কাছে দেড় হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি এক হাজার টাকা জমা দেওয়ার পর পুনরায় ৫০০ টাকা এবং পিয়নের জন্য ১০০ টাকা দাবি করা হয়, যা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
জাহাঙ্গীর হোসেনের অভিযোগ, উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী তাকে একটি কক্ষে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর অন্যান্য ঠিকাদাররা এসে তাকে বের করেন। এ সময় জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দীন লিটন ঘটনাটি ফেসবুক লাইভে প্রচার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলামিন হোসেন বলেন, ঘুষ দাবির অভিযোগ সঠিক নয় এবং ঠিকাদার তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে উত্তেজিত আচরণ করেন। উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন একপর্যায়ে এসও আলামিনকে মারতে উদ্যত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে একটি কক্ষে রাখা হয় এবং পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত জানান, দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
