ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা। তাদের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং কেউ ছিলেন দলের প্রধান কিংবা হেভিওয়েট নেতা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে তারা নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এখনো তাদের অনেকেই কোনো দলীয় পদ বা দায়িত্ব পাননি। নির্বাচনে কিছু নেতা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হলেও বাকিরা হেরে গেছেন এবং তারা বিএনপির উচ্চ নেতৃত্বের মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাতজন নেতার মধ্যে রয়েছেন এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ এবং গণফোরামের সাবেক মহাসচিব ড. রেজা কিবরিয়া। রেজা কিবরিয়া হবিগঞ্জ-১ আসনে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া লক্ষ্মীপুর-১ আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
বিএনপিতে যোগদানকারী নেতাদের কেউ কেউ রাজনৈতিক মর্যাদা প্রত্যাশা করছেন। তারা জানান, নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে তাদের বিষয়ে দলের ফোরামে আলোচনা হয়নি। বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, পদবী নির্ধারণ বিএনপি চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে নতুন নেতাদের বিষয়ে আলোচনা হয়নি। যোগদানকারী নেতারা দলের জন্য কঠিন সময়ে কথা বলার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন এবং রাজনৈতিক মর্যাদা প্রত্যাশা করছেন।
বাংলাদেশ এলডিপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিম ও সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজেদের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন। রাশেদ খান বলেন, তিনি বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। নির্বাচনের পর দলীয় পদ নিয়ে চিন্তা করছেন না ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।
সব মিলিয়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া এই নেতারা এখন দায়িত্ব ও রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং সম্ভাব্য দলীয় কাউন্সিলের দিকেই তাকিয়ে আছেন।
