কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় অভিনেতা জায়েদ খানের একটি ছবি, যেখানে তাকে নিউ ইয়র্কের রাস্তায় শ্রমিকের কাজ করতে দেখা যায়। এ নিয়ে অনেকেই বিস্মিত হন এবং প্রশ্ন তোলেন যে তিনি কি সত্যিই আমেরিকায় দিনমজুরের কাজ করছেন। আবার কেউ কেউ তার এই লুক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যও করেন।
পরে জানা যায়, ছবিটি ‘আমেরিকান ড্রিম’ শিরোনামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের দৃশ্য। সংগীতশিল্পী জন কবির পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে খেটে খাওয়া সাধারণ প্রবাসী বাঙালির চরিত্রে দেখা গেছে জায়েদ খানকে।
প্রবাসীদের জীবনে ‘আমেরিকান ড্রিম’ শুধু স্বপ্ন নয়—এর পেছনে থাকে সংগ্রাম, ত্যাগ ও অজানা বাস্তবতা। মাত্র আড়াই মিনিটের এই চলচ্চিত্রে সেই বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন জায়েদ খান। মুক্তির পর তার অভিনয় ও অভিব্যক্তি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
দর্শকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, জায়েদ খানকে এমনভাবে আগে দেখা যায়নি। কেউ লিখেছেন, “অভিনেতা জায়েদ খানকে দেখলাম, আমরা হিরো জায়েদ খানকে চাই না।” আবার কেউ লিখেছেন, “অবশেষে আমরা অভিনেতা জায়েদ খানকে পেলাম। অসাধারণ পরিবর্তন, দারুণ অভিনয়।”
দর্শকদের এমন ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত হয়েছেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, “সাফল্য কার না ভালো লাগে। এত শেয়ার ও প্রশংসা দেখে সত্যিই আবেগাপ্লুত হয়েছি। আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশ, লন্ডনসহ সারা বিশ্বের বাঙালিরা আমাকে যেভাবে প্রশংসা করছে, অনুভূতিটা অন্যরকম। এবারের ঈদের সিনেমার ট্রেলারের চেয়ে আমার কাজটি বেশি সাড়া পেয়েছে। সত্যি অনেক ভালো লাগছে।”
